ডা. মধুসূদন সাহা একজন অভিজ্ঞ আর্থ্রাইটিস, ব্যথা এবং নিউরো পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জয়েন্টের ব্যথা, কোমরের ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, নার্ভজনিত সমস্যা ও স্ট্রোক পরবর্তী পুনর্বাসনের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।
তিনি MBBS (ঢাকা), BCS (স্বাস্থ্য), FCPS (মেডিসিন), CCD ডায়াবেটোলজি কোর্স সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে এ সামাদ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার।
ঠিকানা: ৩০২, খানজাহান আলী রোড, রয়েল মোড়, খুলনায় কর্মরত । ডা. মধুসূদন সাহা আর্থ্রাইটিস, ব্যথাজনিত সমস্যা, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, নিউরো মেডিসিন ও হৃদরোগ বিষয়ক সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
তিনি রিউমাটোলজি এবং নিউরো-মেডিসিন এর জটিল রোগের সফল চিকিৎসা দিয়ে বহু রোগীকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন। স্ট্রোক পরবর্তী চিকিৎসা, নার্ভ ব্লক থেরাপি, ফিজিওথেরাপি ও আধুনিক নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন সার্ভিস দিয়ে থাকেন।
উনি একজন রোগীবান্ধব, আন্তরিক ও পরিশ্রমী চিকিৎসক, যিনি প্রতিটি রোগীর জন্য সময় দিয়ে নির্ভুল ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করেন।
#যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:
ব্যাক এন্ড নেক পেইন (Spine) কেয়ার।
জয়েন্ট পেইন কেয়ার (কাঁধ), (হাঁটু)।
বাতরোগ চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন।
স্পোর্টস ইনজুরি এন্ড অর্থোপেডিক মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন।
ঘাড় ও পিঠ ব্যাথা, ব্যাথা হাতের দিকে ছড়িয়ে পড়া, হাতে চিলিক মারা, ঝিম ঝিম-শিনশিন করা বা অবশ মনে করা।
হাতের নার্ভ বা স্নায়ু আটকে যাওয়ার কারনে রাতের বেলা হাত ঝিন ঝিন বা অবশ/ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া (CTS), এমনি ভাবে পায়ের পাতা ঝিন ঝিন বা অবশ লাগা (TTS)।
হাঁটু, ঘাড় ও কোমড় বা মেরুদণ্ডের ক্ষয়জনিত সমস্যা।
কাঁধের শোলডার জয়েন্ট আটকে যাওয়া, হাত তুলতে অসমর্থ হওয়া বা পিঠ চুলকাতে, মানি ব্যাগ তুলতে বা মহিলাদের চুলের খোপা বাঁধতে কষ্ট হওয়া, রাতে ব্যাথা বেড়ে যাওয়া (ফ্রোজেন শোলডার)।
গিড়ায় গিড়ায় ব্যাথা, গিড়া ফুলে যাওয়া রাতে বা সকালে আঙ্গুল মুটি করতে কষ্ট হওয়া, গিড়া স্টিফ বা শক্ত হয়ে যাওয়া, এবং বেলা বাড়লে ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা (আর্থ্রাইটিস/বাতরোগ)।
কব্জিতে বা কনুইতে ব্যাথা, ওজন তুলতে বা কাপড় নিংড়াতে কষ্ট হওয়া।
পিঠ, কোমড়ে ব্যাথা, সকালে ও শেষ রাতে দীর্ঘদিন ধরে কোমড় জ্যাম হয়ে থাকা, নুইতে কষ্ট হওয়া এবং বেলা বাড়লে, ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা (বাত রোগ/AS)।
কোমড় ব্যাথা, ব্যাথা পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়া, মাঝে মাঝে হাঁটতে গেলে পা ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে বসতে ইচ্ছে করা এবং পরে আবার হাঁটতে শক্তি পাওয়া, পায়ে শিনশিন করা, বিদ্যুতের মত ঝিলিক মারা, হাঁটতে না পারা (সায়েটিকা)।
হীপে বা হাঁটুতে ব্যাথা, হাঁটু ফুলে যাওয়া, নিচে বসতে গেলে দাঁড়াতে কষ্ট এবং দাঁড়াতে গেলে বসতে কষ্ট হওয়া। হাঁটুর ক্ষয় হয়ে যাওয়া।
পায়ের গোড়ালীতে ব্যাথা। সকাল বেলা পা বাড়াতে প্রথম দিকে ভীষণ কষ্ট এবং পরে হাঁটতে অল্প আরাম বোধ করা, গোড়ালীর পিছনে ব্যাথা ও ফুলে যাওয়া।
খেলাধুলাজনিত আঘাতের কারণে যে কোন ইনজুরী (লিগামেন্ট, টেনডন, মাংসপেশী, মিনিসকাস)।
অর্থোপেডিক প্লাস্টার খোলার পরে জয়েন্ট নাড়াতে কষ্ট হওয়া শক্ত বা স্টিফ হওয়া।
হাড়ের লবন কমে যাওয়া ও মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে বা চুপসে যাওয়া (হাড় ফোপড়া রোগ)।
শরীরের কোন অংশে দুর্বল লাগা, মুখের একদিক বেকে যাওয়া, মুখের খাবার একদিকে আটকে যাওয়া, কথা বলতে কষ্ট হওয়া।
স্ট্রোক, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরী, ব্রেইন ইনজুরী।
প্যারালাইসিস।
হাত ও পায়ের শক্তি কমে যাওয়া।
হাত পা শুকিয়ে যাওয়া।
শোল্ডার পেইন, ফ্রোজেন শোল্ডার।