ডাঃ এম মাহমুদ হোসাইন, খুলনা এর একজন সেরা বাত ব্যাথা প্যারালাইসিস ও স্পাইন রিহ্যাব বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের সেরা বাত ব্যাথা প্যারালাইসিস ও স্পাইন রিহ্যাব বিশেষজ্ঞ। তার যোগ্যতা এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (রিউমাটোলজি) বিএসএমএমইউ -খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা। তিনি নিয়মিত ভাবে রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করেন।
ডাঃ এম. মাহমুদ হোসেন (আন্টু) একজন অভিজ্ঞ কনসালটেন্ট রিউমাটোলজিস্ট এবং আর্থ্রাইটিস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি MBBS (Dhaka), BCS (Health), M.D (Rheumatology) [Arthritis] BSMMU (PG Hospital) ডিগ্রিধারী এবং মাস্কুলোস্কেলিটাল আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিউমাটোলজি ও আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় রোগীদের সেবা প্রদান করছেন। বিশেষত আর্থ্রাইটিস, বাত রোগ, গাউট, জয়েন্টে ব্যথা, পেশী ও হাড়ের প্রদাহ, স্লিপ ডিসঅর্ডার, স্পন্ডাইলাইটিস, অটোইমিউন ডিজিজ এবং লুপাসের চিকিৎসায় তাঁর দক্ষতা রয়েছে।
রোগ নির্ণয়ে সর্বাধুনিক মাস্কুলোস্কেলিটাল আল্ট্রাসোনোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি আরও নির্ভুল চিকিৎসা প্রদান করেন। রোগীদের জন্য ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, প্রদাহ কমানো এবং দীর্ঘস্থায়ী আরোগ্য প্রদানে তিনি সমন্বিত চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রদান করেন।
ডাঃ এম. মাহমুদ হোসেন আন্তরিক রোগীসেবা, কার্যকর চিকিৎসা ও আধুনিক গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসা প্রয়োগের মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলের রোগীদের আস্থা অর্জন করেছেন। আর্থ্রাইটিস, বাত, জয়েন্টের ব্যথা ও রিউমাটোলজির অন্যান্য জটিল রোগের জন্য তিনি একজন বিশ্বস্ত ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ, যিনি রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন।
বিঃদ্রঃ এছাড়াও কনসালটেন্ট রিউমাটোলজিস্ট/আর্থ্রাইটিস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বিষয়ক সকল রোগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা এবং পরামর্শ প্রদান করেন।
#যে সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়:
ব্যাক এন্ড নেক পেইন (Spine) কেয়ার।
জয়েন্ট পেইন কেয়ার (কাঁধ), (হাঁটু)।
বাতরোগ চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন।
স্পোর্টস ইনজুরি এন্ড অর্থোপেডিক মেডিসিন রিহ্যাবিলিটেশন।
ঘাড় ও পিঠ ব্যাথা, ব্যাথা হাতের দিকে ছড়িয়ে পড়া, হাতে চিলিক মারা, ঝিম ঝিম-শিনশিন করা বা অবশ মনে করা।
হাতের নার্ভ বা স্নায়ু আটকে যাওয়ার কারনে রাতের বেলা হাত ঝিন ঝিন বা অবশ/ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া (CTS), এমনি ভাবে পায়ের পাতা ঝিন ঝিন বা অবশ লাগা (TTS)।
হাঁটু, ঘাড় ও কোমড় বা মেরুদণ্ডের ক্ষয়জনিত সমস্যা।
কাঁধের শোলডার জয়েন্ট আটকে যাওয়া, হাত তুলতে অসমর্থ হওয়া বা পিঠ চুলকাতে, মানি ব্যাগ তুলতে বা মহিলাদের চুলের খোপা বাঁধতে কষ্ট হওয়া, রাতে ব্যাথা বেড়ে যাওয়া (ফ্রোজেন শোলডার)।
গিড়ায় গিড়ায় ব্যাথা, গিড়া ফুলে যাওয়া রাতে বা সকালে আঙ্গুল মুটি করতে কষ্ট হওয়া, গিড়া স্টিফ বা শক্ত হয়ে যাওয়া, এবং বেলা বাড়লে ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা (আর্থ্রাইটিস/বাতরোগ)। Health Education & Medical Training
কব্জিতে বা কনুইতে ব্যাথা, ওজন তুলতে বা কাপড় নিংড়াতে কষ্ট হওয়া।
পিঠ, কোমড়ে ব্যাথা, সকালে ও শেষ রাতে দীর্ঘদিন ধরে কোমড় জ্যাম হয়ে থাকা, নুইতে কষ্ট হওয়া এবং বেলা বাড়লে, ধীরে ধীরে আরাম বোধ করা (বাত রোগ/AS)।
কোমড় ব্যাথা, ব্যাথা পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়া, মাঝে মাঝে হাঁটতে গেলে পা ভার বা ওজন হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে বসতে ইচ্ছে করা এবং পরে আবার হাঁটতে শক্তি পাওয়া, পায়ে শিনশিন করা, বিদ্যুতের মত ঝিলিক মারা, হাঁটতে না পারা (সায়েটিকা)।
হীপে বা হাঁটুতে ব্যাথা, হাঁটু ফুলে যাওয়া, নিচে বসতে গেলে দাঁড়াতে কষ্ট এবং দাঁড়াতে গেলে বসতে কষ্ট হওয়া। হাঁটুর ক্ষয় হয়ে যাওয়া।
পায়ের গোড়ালীতে ব্যাথা। সকাল বেলা পা বাড়াতে প্রথম দিকে ভীষণ কষ্ট এবং পরে হাঁটতে অল্প আরাম বোধ করা, গোড়ালীর পিছনে ব্যাথা ও ফুলে যাওয়া।
খেলাধুলাজনিত আঘাতের কারণে যে কোন ইনজুরী (লিগামেন্ট, টেনডন, মাংসপেশী, মিনিসকাস)।
অর্থোপেডিক প্লাস্টার খোলার পরে জয়েন্ট নাড়াতে কষ্ট হওয়া শক্ত বা স্টিফ হওয়া।
হাড়ের লবন কমে যাওয়া ও মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে বা চুপসে যাওয়া (হাড় ফোপড়া রোগ)।
শরীরের কোন অংশে দুর্বল লাগা, মুখের একদিক বেকে যাওয়া, মুখের খাবার একদিকে আটকে যাওয়া, কথা বলতে কষ্ট হওয়া।
স্ট্রোক, স্পাইনাল কর্ড ইনজুরী, ব্রেইন ইনজুরী।
প্যারালাইসিস।
হাত ও পায়ের শক্তি কমে যাওয়া।
হাত পা শুকিয়ে যাওয়া।
শোল্ডার পেইন, ফ্রোজেন শোল্ডার।